মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে গোপীবাগ এলাকার মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হন নজির আহম্মদ ও তার ছেলে বিপ্লব ওরফে বশির (১৮)। মনির নজির আহম্মদের পাশ দিয়ে দ্রুতগতিতে একটু সামনে গিয়ে বশিরকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করে।বিপ্লব চিৎকার করলে নজির আহম্মদসহ কয়েকজন মিলে মনিরকে জাপটে ধরেন। এরপর বিপ্লবকে উদ্ধার করে প্রথমে মনোয়ারা হাসপাতালে, পরে ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ওই দিনই নজির আহম্মদ ডেমরা থানায় হত্যা মামলা করেন। বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। ২০০৯ সালে মনিরকে জামিন দেন আদালত। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ আসামির সাজার রায় এলো।